ভারতীয় ব্যাংকের মালিকানা কি বিদেশী হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে?

বিদেশী সংস্থার মধ্যস্থতায় দেশীয় বাজারে আর্থিক প্রবাহের পরিমান খুবই নগণ্য। মাত্র ১২০০ কোটি টাকায় ‘ক্যাথলিক সিরিয়ান ব্যাঙ্ক’-এর মালিকানা অর্জন করেছে ফেয়ারফ্যাক্স সংস্থা। এর প্রায় অর্ধেকটাই, ৫৯২ কোটি টাকা ২০২৪ সালের জুন মাসে ৯.৭২ শতাংশ ইক্যুইটি বিক্রি করে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিদেশী মালিকানাধীন ব্যাঙ্কগুলি আর্থিক প্রবাহের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে এমন কথা একেবারেই অসঙ্গতিপূর্ণ। রিজার্ভ ব্যাংকের তরফে জারি করা ১৫ শতাংশ নিয়মের সীমানা কঠোরভাবে পালন করা সত্ত্বেও এর আগে আর্থিক প্রবাহ আটকানো হয়নি।

ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়মানুসারে এমন একটি সীমা রয়েছে যার সুবাদে কোনও ভারতীয় ব্যাঙ্কে ইক্যুইটির সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ বিদেশিদের মালিকানায় থাকতে পারে। ঐ সীমা মামলার ভিত্তিতে বৃদ্ধি করা গেলেও আজও আইনটি খাতায়-কলমে বহাল রয়েছে। ২০১৮ সালে কানাডার একটি কোম্পানি ফেয়ারফ্যাক্সের মরিশাস ভিত্তিক হোল্ডিং কোম্পানিটিকে কেরলের ক্যাথলিক সিরিয়ান ব্যাঙ্কের ৫১ শতাংশ ইক্যুইটি কেনার অনুমতি দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার বা রিজার্ভ ব্যাংক কেউই ২০১৮ সালে সেই ১৫ শতাংশের সীমানা কেন লঙ্ঘিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেনি। ১৯৯৪ সালে (তৎকালীন নয়া-উদারবাদী যুগে) থাইল্যান্ড ভিত্তিক এস এস চাওলা গ্রুপের তরফে ৩৪ শতাংশ ইক্যুইটি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টাকে আইনি বিবেচনার অধীনে এনে সঠিকভাবেই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
বলা হচ্ছে আইডিবিআই ব্যাঙ্ককেও একটি বিদেশী মালিকানাধীন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরা অবশ্য কোনও সরকারি ব্যাঙ্ক নয়, ২০১৯ সাল থেকে এদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা ভারত সরকারের জীবন বীমা (লাইফ ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া)-র হাতে রয়েছে।
আটকানোর চেষ্টা হলেও বিদেশী সংস্থাগুলিকে ভারতীয় ব্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে নীরবে পরিবর্তন ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। কেন এমনটি করা হচ্ছে কেউ কখনো তার ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেনি। এমন নিয়ন্ত্রণ আসলে বৈদেশিক অর্থ আকর্ষণের এক উপায়, এধরনের নীতিগত পরিবর্তনের বেলায় সাধারনভাবে যুক্তি হিসাবে যেমনটি তুলে ধরা হয় সেসবের চেষ্টাও হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আর ঐ যুক্তিতে আটকে থাকা যায় না। কারণ বিদেশী সংস্থার মধ্যস্থতায় দেশীয় বাজারে আর্থিক প্রবাহের পরিমান খুবই নগণ্য। মাত্র ১২০০ কোটি টাকায় ‘ক্যাথলিক সিরিয়ান ব্যাঙ্ক’-এর মালিকানা অর্জন করেছে ফেয়ারফ্যাক্স সংস্থা। এর প্রায় অর্ধেকটাই, ৫৯২ কোটি টাকা ২০২৪ সালের জুন মাসে ৯.৭২ শতাংশ ইক্যুইটি বিক্রি করে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিদেশী মালিকানাধীন ব্যাঙ্কগুলি আর্থিক প্রবাহের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে এমন কথা একেবারেই অসঙ্গতিপূর্ণ। রিজার্ভ ব্যাংকের তরফে জারি করা ১৫ শতাংশ নিয়মের সীমানা কঠোরভাবে পালন করা সত্ত্বেও এর আগে আর্থিক প্রবাহ আটকানো হয়নি। এখন যদি দেশীয় বাজারে আর্থিক প্রবাহ আসার পরিবর্তে বেরিয়েই যায় তবে তার আসল কারণ অন্য কোথাও রয়েছে, যেমন ট্রাম্পের শুল্কনীতির কথা মাথায় রাখতে হবে। কয়েকটি হাতে গোনা ব্যাঙ্ক বিক্রি করে তাকে অস্বীকার করা যায় না। তাহলে কেন নীরবে বিদেশী মালিকানার বিষয়টি অনুমোদিত হচ্ছে? এমন ঘটনার প্রভাব যে দেশীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক সে কথা ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। প্রথম থেকেই ১৫ শতাংশ সীমা আরোপ করার কারণই তো সেই আশংকা বৈ আর কিছু না?
অবশ্য একথাও বলা যেতে পারে যে ব্যাঙ্কগুলির উপরে বিদেশী মালিকানার কারণে দেশীয় অর্থনীতিতে যে ক্ষতিকর প্রভাব তাকে অত্যধিক বড় করে দেখানো হয়েছে। ভারতীয় ব্যাঙ্কের উপর বৈদেশিক মালিকানার প্রসঙ্গে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম সাধারণভাবে মালিকানাকে সীমিত রাখে। যতক্ষণ ঐ নিয়মসমুহ মেনে চলা হচ্ছে ততক্ষণ ব্যাঙ্কের মালিক কে তা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। যদি এমন কথাকে যুক্তি হিসাবে মেনেও নেওয়া হয় তা হলেও কেন একটি ভারতীয় ব্যাঙ্ককে বিদেশী নিয়ন্ত্রণের অধীনস্থ করতে হবে তার কোনও উত্তর মেলে না। ‘বৈদেশিক মালিকানা ব্যাঙ্কের পরিচালনায় উন্নতি করবে’ বলে যুক্তি দেওয়া হয়, এও অকেজো কথা। ক্যাথলিক সিরিয়ান ব্যাঙ্কের উদাহরণ দেখায়, ক্ষুদ্র আকারের ঋণ গ্রহীতা যাদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঋণ দিতে হয় এমন প্রকল্পের সুবিধাভোগী হওয়ার কথা ছিল বিদেশী নিয়ন্ত্রণ কায়েম হলে ব্যাংক একদিকে তাদের ঋণ দেওয়া একেবারে বন্ধ করে দেয় আরেকদিকে ম্যানেজমেন্টের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের বেতন অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।
এছাড়া আর বিষয় রয়েছে। দেশীয় ব্যাঙ্কগুলির উপরে এহেন মালিকানা ব্যবহৃত হয় বিদেশী সম্পদের মালিকানার উপরে বিদ্যমান বিধিনিষেধগুলিকে অবসানের উদ্দেশ্যে চাপ দেওয়ার এক হাতিয়ার হিসাবে। ঐ বিধিনিষেধগুলি বাতিল হলে দেশীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মালিকানা বৃদ্ধি পাবে যা আগের চাইতে আরও বেশি দুঃসাহসী/ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে পুঁজি বিনিয়োগ করার ব্যবস্থাটি পাকা করবে।
ঐ সকল ক্ষেত্র অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ আর আগেকার চাইতে সাধারণভাবে বেশি লাভজনকও। পরিস্থিতি ভাল হলে বিনিয়োগ ভালো ফল দেয়, ব্যবসায়ীরাও অনেক মুনাফা করে। সেই মুনাফার কোনো অংশই আমানতকারীদের পকেটে এসে ঢোকে না, কিন্তু পরিস্থিতি যখন খারাপ, ব্যাঙ্ক দেউলিয়া হওয়ার মুখোমুখি তখন আমানতকারীদের সঞ্চিত অর্থ হারানোর সম্ভাবনা দেখা দেয়।
এ কারণেই ঋণ দেয় এমন কোনও সাধারণ ব্যাঙ্কের চাইতে দুঃসাহসী/ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে জড়িত এমন ব্যাঙ্কে বিনিয়োগ সাধারণ আমানতকারীদের দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক বেশি বিপজ্জনক। বিদেশী মালিকানাধীন ব্যাঙ্কের কারণে বিদেশী সম্পদের নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাংককে নিজেদের বিধিনিষেধ তুলে নিতে চাপ দেওয়া হয়। এতে ভারতের আমানতকারীদের বিনিয়োগের ঝুঁকি বাড়ে, এমন বিনিয়োগে তাদের লাভের সুযোগ প্রায় কিছুই নেই কিন্তু ক্ষতির সম্ভাবনা অনেক বেশি।
এমনটা অনুমান মাত্র নয়। ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ক্ষেত্রের ‘বুদবুদ’ ফেটে যাওয়ার সময় দুনিয়ার প্রধান পুঁজিবাদী দেশের ব্যাংকগুলি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঐ বুদবুদের জালে জড়িত ছিল বলে ধরা পড়ে। এরা বিপুল পরিমাণে ‘টক্সিক অ্যাসেটস’ অর্থাৎ মূল্যহীন সম্পদের বোঝা বহন করে। ঐ সমস্ত ব্যাংককেই বিরাট পরিমান সরকারি বেল-আউট দিয়ে উদ্ধার করতে হয়েছিল। কিন্তু এ ধরনের উদ্ধারও আমানতকারীদের জন্য উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণ হয়েছিল। ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে আবাসন বুদবুদ ব্যবস্থার পতনের পড়েও আর্থিক ব্যবস্থা অপরিবর্তিত ছিল। ভারতীয় ব্যাংকগুলির ব্যালেন্স শিটে বিদেশি সম্পদের পরিমাণ ছিল অতি নগণ্য, সেই সামান্য পরিমাণে মূল্যহীন সম্পদ (টক্সিক অ্যাসেটস) ছিল আরও কম। কেবলমাত্র ICICI ব্যাংকের তহবিলেই কিছু বিদেশি ও টক্সিক অ্যাসেটস ছিল, সরকারী ব্যাংকগুলি প্রায় পরিচ্ছন্নই ছিল। ভবিষ্যতে এমন সহায়ক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি নাও হতে পারে। দেশীয় ব্যাংকগুলিতে বৈদেশিক মালিকানা অনুমোদিত হলে ভারতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার যে দৃঢ়তা ছিল তা পরেরবার টিকে নাও থাকতে পারে।
তবে দেশীয় ব্যংকগুলিকে বিদেশি মালিকানাকে অনুমতি দেওয়াই হলো সেই অভিমুখ যেদিকে নয়া-উদারবাদ ভারতকে ঠেলতে চাইছে। নয়া উদারবাদ যাবতীয় সরকারি বিধিনিষেধের বিশেষত তৃতীয় বিশ্বের (থার্ড ওয়ার্ল্ড) সরকারী ব্যবস্থার তরফে জাতীয় অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে। যেমন বিদেশি ইক্যুইটির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশের সীমাবদ্ধতা। ভারতীয় ব্যাংকের বিদেশি মালিকানা আসলে সাম্রাজ্যবাদের জন্য ভারতীয় অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করার হাতিয়ার। মনে রাখতে হবে, নয়া-উদারবাদ নিজেই একটি সাম্রাজ্যবাদী কৌশল অর্থাৎ বিদেশি মালিকানাধীন ব্যাংকের পাশে থাকবে বিদেশি রাষ্ট্রের শক্তি অথচ ভারতীয় মালিক সেই শক্তি পাবে না।
নয়া-উদারবাদ ইতিমধ্যে ভারতের আর্থিক ক্ষেত্রে পরিচালনা/নিয়ন্ত্রণ নির্ভর নীতি (এতে অনেক অগ্রগতি থাকার পরেও) তাকে অনেকটাই উল্টো দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে। যদিও অগ্রাধিকার পায় এমনসব খাতের ঋণনীতি এখনো কার্যকর রয়েছে বাতিল হয়নি, তবুও ‘অগ্রাধিকারের’ সংজ্ঞা এতদূর প্রসারিত হয়েছে যে যাদের জন্য ঐ নীতি গৃহীত হয়েছিল অর্থাৎ চাষি, ক্ষুদ্র উৎপাদক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও অন্যান্য প্রান্তিক অংশ তারা ব্যাপকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন থেকে বাদ পড়েছেন। অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক উইমেন’স অ্যাসোসিয়েশন (AIDWA)-র এক গবেষণায় দেখা গেছে ব্যংক নয় এমন আর্থিক সংস্থা (NBFC) ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলি (MFI) ব্যাংক থেকে ১০ শতাংশের কম সুদে ঋণ পায় কিন্তু দরিদ্র মহিলা ঋণগ্রহীতাদের ২৬ শতাংশ সুদে টাকা ধার দেয়। অনেকটা ঔপনিবেশিক যুগে গ্রামের সেই মহাজনের মতো যিনি প্রায়ই সুদের জন্য ব্যাংক ঋণ পেতেন। যা আরও আশঙ্কার বিষয় তা হল NBFC ও MFI-কে ব্যাংকের দেওয়া ঋণও এখন অগ্রাধিকারের ঋণ হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাংক জাতীয়করণের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও ছোট ব্যবসার মতো ক্ষেত্রগুলিতে সকল মধ্যস্থতাকারীকে বাদ দিয়ে প্রান্তিক ঋণগ্রহীতাদের সরাসরি ব্যাংক ঋণ দেওয়া, সে লক্ষ্য আজকের অবস্থায় ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থা এমনকি সরকারী ব্যাংকগুলিও বড় কর্পোরেট ব্যবসার অধীনস্থ হয়ে পড়েছে। ব্যাংক জাতীয়করণের পিছনে ধারণা ছিল একচেটিয়া সম্পর্ককে ভেঙে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। বড় ব্যবসায়ীরা শুধু যে ব্যাংক ঋণের বড় অংশ দখল করে তাই নয় ঋণ ফেরত দেওয়ার দায়িত্বও এড়িয়ে যায়। অর্থাৎ সরকারী ব্যাংকগুলির উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও (এখন অবশ্য সরকারী ব্যাংকে সরকারের অংশীদারিত্ব কমছে), পুরানো দিনের মতো কর্পোরেট গোষ্ঠী- বিশিষ্টজনের ব্যাংকিং পদ্ধতি ফিরে এসেছে যেখানে প্রত্যেক ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিজস্ব ব্যাংক ছিল।
ঋণ বিতরণে সামাজিক নিয়ন্ত্রণের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সরে যাওয়ার এই প্রবণতা আরও জোরদার হবে যদি ভারতীয় ব্যাংকের উপর বিদেশি মালিকানার নীতি গৃহীত হয়। প্রান্তিক ঋণগ্রহীতারা আরও বেশি করে সরাসরি ব্যাংক-ঋণ পাওয়ার সুযোগের বাইরে ছিটকে পড়বেন। ব্যাংক ঋণের সুবাদে বড় ব্যবসা আরও বেশি পুষ্ট হবে। এর সঙ্গেই ব্যাংক ঋণ ব্যবহৃত হবে বিদেশি সম্পদের বৃদ্ধি ও জুয়াখেলা ধরণের কাজে। ভারতে বর্তমানে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিকদের মধ্যে ফ্যাসিস্ত উপাদান রয়েছে, এদের থেকে এমন নীতি যেমন প্রত্যাশিত তেমনই এমন নীতির প্রবল বিরোধিতাও একান্ত জরুরী।
ভাষান্তর : সৌভিক ঘোষ
অঞ্জন মুখ্যোপাধ্যায়
পিপলস ডেমোক্রেসির ১৫-২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সংখ্যায় প্রকাশিত
প্রকাশ: ২৩-সেপ্টেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 23-Sep-25 15:56 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/is-the-ownership-of-indian-banks-being-handed-over-to-foreign-hands - exists in postID 31956
Categories: Fact & Figures
Tags: #indianeconomy, bank nationalisation, modi adani
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (150)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (133)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
.jpg)




